এ্যাপস সমুহ

Picture

ভোলা

১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১ জানুয়ারি ভোলা জেলা গঠিত হয়। ভোলা বাংলাদেশের বৃহত্তম প্রাচীন গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ। ভোলা, জেলা হিসেবে  স্বীকৃতি পায়  ১৯৮৪ সালে।পূর্বে এটি নোয়াখালী জেলার অধীনে sub division ছিল। নোয়াখালী জেলার অধীনে sub division হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল ১৮৪৫ সালে। তখন এর প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল বর্তমান দৌলতখানে। ১৮৬৯ সালে sub division হিসেবে বরিশাল জেলার অধীনে যুক্ত হয় । পরবর্তীতে ১৮৭৬ সালে প্রশাসনিক কেন্দ্র দৌলতখান থেকে ভোলায় স্থানান্তর হয়। বর্তমান ভোলা জেলাতে ৭ টি উপজেলা, ৬৮ টি ইউনিয়ন রয়েছে।   

আয়তন: নদীনালা ও জলাভূমিসহ এ জেলার আয়তন ১,১৩৩.৪৬ বর্গ কিলোমিটার।

সীমানা: বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা ভোলা। ভোলা জেলার উত্তরে বরিশাল জেলা ও মেঘনা নদী, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে নোয়খালী ও লক্ষ্মীপুর জেলা ও মেঘনানদী এবং পশ্চিমে বরিশাল ও পটুয়াখালী ও তেঁতুলিয়া নদী

ভোলা জেলায় ১০টি থানা যেমন: ভোলা সদর, দৌলতখান, লালমোহন , বোরহানউদ্দিন, মনপুরা, তজুমদ্দিন , চরফ্যাসন, শশীভূষণ, দুলারহাট ও দক্ষিণআইচা । তদন্তকেন্দ্র ০৮ টি যেমন: চর কুকরী-মুকরী, ঢালচর পু,৩.বাংলাবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, মঙ্গল শিকদার, মির্জাকালু , ভেলুমিয়া, চর কলাতলী  এবং ইলিশা । ফাঁড়ি ১টি।যেমন: টাউন পুলিশ ফাঁড়ী।

ভোলা জেলায় কর্মরত পুলিশ জনবল ১২৫৮ জন।

ভোলা জেলার দর্শনীয় স্থানঃ ১. মানিকা মিয়া বাড়ি, ২.কুতুবা মিয়া বাড়ি, ৩.দেউলা তালুকদার বাড়ি, ৪.পরান তালুকদার বাড়ি, ৪.রজনী করের বাড়ি , ৫. দৌলতখানের জমিদার কালা রায়ের বাড়ি । তাছাড়া মনপুরা দ্বীপ, চর কুকরী মুকরী, ওয়াচ টাওয়ার, তারুয়া সমূদ্র সৈকত, ডাল চর ইত্যাদি এ জেলার অন্যতম আকর্ষণ। ভোলার ঘুইঙ্গার হাটের মিষ্টি ও ঘোষের দধির সুনাম দীর্ঘকাল ধরে। অতিথি আপ্যায়ন ও জামাই আপ্যায়নে ভোলাবাসীর প্রথম পছন্দ এ দধি ও মিষ্টি।

ভোলা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিত্বঃ  ১.বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল, ২. কবি মোজ্জাম্মেল হক,৩. মরহুম মোশারেফ হোসেন শাজাহান, ৪.কবি নাসির আহমেদ, ৫.অধ্যক্ষ ফারুকুর রহমান, ৬. এ কে মকবুল আহমেদ, ৭. মোঃ হোসেন চৌধুরী।

ভোলা জেলা পুলিশ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

 
Copyright © 2022 RANGE DIG OFFICE, BARISHAL. Developed by Momtaj Trading(Pvt.) Ltd.